জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক দফতর-এর সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে জানা গেছে, ২০২৫ সালের শুরু থেকে এখনও পর্যন্ত গাজার পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে অন্তত ৪০ জন ফিলিস্তিনি শিশু নিহত হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৪ থেকে ২০ অক্টোবরের মধ্যে গাজার পশ্চিম তীরের বিভিন্ন জায়গায়, যার মধ্যে পূর্ব জেরুজালেমও রয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে তিনজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যার মধ্যে একজন শিশু বলে জানা যায়। একই সময়ে আহত হয়েছে ৮১ জন ফিলিস্তিনি ও দুইজন ইসরায়েলি সেনা। আহতদের মধ্যে ১০ শিশু ও ১১ জন মহিলাও রয়েছে বলে জানা যায়।
অন্যদিকে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে ৫৯ জন এবং ইসরায়েলি বসতকারীদের হামলায় আরও ২২ জন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছে। হেবরনের দক্ষিণে আর রিহিয়া গ্রামে অভিযানের সময় ইসরায়েলি সেনারা গুলি ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করলে এক শিশু মারা যায়। জাতিসংঘের মানবাধিকার দফতরের তথ্য অনুযায়ী, শিশুটি তখন ফুটবল খেলছিল। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সেনাবাহিনী ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুসারে, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত গাজার পশ্চিম তীরে মোট ১৯৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যার প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন শিশু রয়েছে। এছাড়া, জেনিন অঞ্চলে সর্বাধিক ৬৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, গত দুই দশকের মধ্যে এটি সবচেয়ে মারাত্মক সহিংসতা, যেখানে ইসরায়েলি বাহিনীর অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগে শত শত সাধারণ মানুষ ও শিশু প্রাণ হারিয়েছে। বহু ঘটনায় আহতদের চিকিৎসা সহায়তাও বিলম্বিত বা বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ।


