ইসরায়েলে এই সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি থেকে ১৪টি সামরিক কার্গো বিমান এসে পৌঁছেছে। এই বিমানগুলো ইরানের সাথে চলমান সংঘাতের মধ্যে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে শক্তিশালী করতে অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নিয়ে এসেছে। বৃহস্পতিবার ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই খবর নিশ্চিত করে জানিয়েছে, ১৩ই জুন ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে চলা বৃহৎ লজিস্টিক পরিকল্পনার একটি অংশ। আকাশ ও সমুদ্রপথে এই অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা সহায়তা অব্যাহত রাখা হবে।
গত ১৩ জুন ইসরায়েল ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনায় অতর্কিত বিমান হামলা চালালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। জবাবে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে, যা বড় ধরনের যুদ্ধের শঙ্কা জাগিয়ে তুলেছে। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইরানের হামলায় ২৫ জন ইজরায়েলির মৃত্যু হয়েছে এবং শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, ইরানি সংবাদমাধ্যমের দাবি, ইসরায়েলের আক্রমণে ৬৩৯ জন নিহত ও ১,৩০০ এর বেশি আহত হয়েছেন।
এই উত্তেজনার মধ্যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলছে। শুক্রবার জেনেভায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সাথে বৈঠকে বসবেন। আলোচনায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও সামরিক কার্যক্রম বন্ধের বিষয়টি উঠবে। আন্তর্জাতিক স্তরে দেশগুলি ইসরায়েল ও ইরানকে সংযমের আহ্বান জানালেও বিধ্বংসী যুদ্ধের আশঙ্কা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। যুদ্ধ থামিয়ে শান্তি ফিরিয়ে আনতে কূটনীতির প্রয়োজনীয়তা এখন বেশি জরুরি।


