বিজেপি কর্মীদের ধমকানো চমকানো শুরু হয়েছে। আপনাদের বলতে চাই ক্ষমতায় আসছে বিজেপি। আর বিজেপিতে আসার চেষ্টা করবেন অনেকে। কিন্তু তা করেও রেহাই পাবেন না। প্রয়োজনে উত্তরপ্রদেশ ট্রিটমেন্ট হবে। প্রয়োজনে এনকাউন্টার হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার
রাজ্য বিজেপি সভাপতি বলেন, ভোট পরবর্তী হিংসা বসিরহাটে শুরু হয়ে গিয়েছে। নদিয়াতে শুরু হয়েছে। দক্ষিণ কলকাতা অর্থাত্ কলকাতার প্রাণকেন্দ্রে আমাদের কর্মীদের মাথা ফাটানো, ধমকানো, চমকানো শুরু হয়ে। কারণ তৃণমূল কংগ্রেস বুঝতে পেরেছে তাদের সময় আসন্ন। আমি কিন্তু স্পষ্ট এইসব গুন্ডা মস্তানদের বলে দিতে চাই বিজেপি ক্ষমতায় আসছে। আর বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর বিজেপির কোনও নেতাকে ধরে দলে আসলেও রেহাই নেই। উত্তরপ্রদেশ ট্রিটমেন্ট হবে, পুরো এনকাউন্টার হবে।
উল্লেখ্য, শেষ দফায় ভোটের পর নদিয়ায় হাফিজুল শেখ নামে এক বিজেপি কর্মী খুন হয়েছেন। সেই প্রেক্ষিতের সুকান্তের এই মন্তব্য বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের।
সুকান্তর ওই মন্তব্য নিয়ে তৃণমূল মুখপাত্র জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, হিংসার বিরুদ্ধেই তো পশ্চিমবঙ্গের মানুষ ভোট দিয়েছে। সারা ভারতের মানুষ ভোট দিয়েছে এরমধ্যে। এরা আইনের শাসন মানে না। বিজেপি নেতা বলছেন এনকাউন্টা করে মানুষ খুন করা হবে। আইনের শাসন নয়, গুলি করে মেরে দেব, সন্ত্রাসবাদীদের মতো কাজ করব। এটা বলতে লজ্জা হচ্ছে না সুকান্ত মজুমদারের? যে দল দেশ শাসন করছে তার এক রাজ্য সভাপতি বলেছে এনকাউন্টার করে মেরে দেব! এই অশান্তির রাজনীতি করলে অশান্ত হবে পশ্চিমবঙ্গ। কোনও গণতান্ত্রিক দলের নেতা এটা বলতে পারবে। এরা বন্দুকের রাজনীতি করতে চাইছে।


