
সন্ন্যাসীর সংজ্ঞা দিতে গিয়ে স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন, “অজ্ঞ জনগণকে জীবন সংগ্রামে উপযোগী করতে একজন সন্ন্যাসীর জন্ম হয়। সন্ন্যাসীর গেরুয়া বসন জানো যুদ্ধের রণসজ্জা।”
তবে আজকের দিনে দাঁড়িয়ে সন্ন্যাসীর সংজ্ঞাটা বদলে যাচ্ছে। ভারতীয় জনতা পার্টি, আরএসএস সহ বেশ কিছু ছোট বড় দলের লোকেরা নিজেদের ব্যক্তি স্বার্থ, ভোগ ও লালসা চরিতার্থ করার জন্য গেরুয়া বসন ধারণ করছে।
বেলডাঙায় গেরুয়া বসনধারী সন্ন্যাসী, কার্তিক মহারাজের বিরুদ্ধে উঠলো গুরুতর অভিযোগ। নবগ্রাম থানায় তার বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার নাম করে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের উপর ভিত্তি করে পুলিশ এফআইআর রুজু করেছে।
চলতি বছরে, কেন্দ্রীয় সরকার প্রদত্ত পদ্মশ্রী পুরস্কারে সম্মানিত হন কার্তিক মহারাজ। তিনি এই অভিযোগকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ। বর্তমানে কার্তিক মহারাজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে কেন্দ্র করে বাঁধে রাজনৈতিক বিতর্ক। কার্তিক মহারাজ যদিও দাবি করেছেন, তিনি সন্ন্যাসী, এই অভিযোগকে তিনি গুরুত্ব দিতে নারাজ।


