১৩ই ডিসেম্বর যুবভারতীতে মেসির অনুষ্ঠান কার্যত বানচাল হতে দেখেছে গোটা বিশ্ব। দর্শকদের অভিযোগ টিকিটের দাম মধ্যবিত্তের সাধ্যের চাইতে অনেক বেশি। তারপরেও অনেকেই অত্যন্ত কষ্ট করে টিকিট কেটে মাঠে এসেছিল শুধুমাত্র তাদের স্বপ্নের নায়ককে দেখবে বলে। মন্ত্রী আয়োজক, এবং নিরাপত্তা রক্ষীসহ একাধিক মানুষের ঢল মেসিকে ঘিরে থাকায় ভালো করে দেখা যায়নি, এমনই অভিযোগ করছে দর্শকরা।
এরপর যুবভারতী ক্রিয়াঙ্গনে যা ঘটেছে তা কার্যত নজিরবিহীন। ডার্বি সহ একাধিক হাইফোল্টেজ ও ঐতিহাসিক ম্যাচ সত্বেও এমন দৃশ্য চোখে দেখেনি কলকাতা। মেসিকে দেখতে না পেয়ে বিক্ষুব্ধ জনতা কার্যত আছড়ে পড়ল যুবভারতীর মাঠে। জনতার ক্ষোভের স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিফলন দেখা গেল মাঠের ভেতরে। ভাঙ্গা হলো চেয়ার, পোড়ানো হলো ভিআইপি সোফা, ছেঁড়া হয়েছে গোল পোস্ট।
এরপর জল গড়িয়েছে আরও অনেক দূর, অনুষ্ঠানের মূল উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্তকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ। বিরোধীদের অভিযোগ, সরকার প্রশাসনিক গাফিলতি ঢাকার জন্য এই গ্রেফতারি করল। এমন আবহে পুলিশ প্রধান রাজীব কুমার ও বিধাননগরের নগরপাল মুকেশকে শো কজ করা হয়েছে। আইপিএস অনীশ সরকার সাসপেন্ড হয়েছেন। যুবক্রীড়া সচিব রাজেশ সিনহাকেও শো কজ করা হয়েছে। যুবভারতীর ডিরেক্টর দেব কুমার নন্দনের চাকরি বাতিল হয়েছে।


