দেশজুড়ে শিশু পাচারের ঘটনা বাড়তে থাকায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট । বুধবার বিচারপতি জে. বি. পার্দিওয়ালা এবং কে. কে. বিশ্বনাথান-এর বেঞ্চ জানায়, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। আদালতের মতে, শুধু নজরদারি করাই তাদের কাজ। বাস্তবে পদক্ষেপ নেওয়ার দায়িত্ব রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির প্রশাসনের। বিচারপতিরা স্পষ্ট করে বলেন, পুলিশ ও তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসতে হবে এবং সংগঠিত পাচার চক্র ভাঙতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
২০২৫ সালে আদালত যে নির্দেশ দিয়েছিল, তার সঠিক বাস্তবায়ন হয়নি বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। তখন বলা হয়েছিল, শিশু পাচারের মামলাগুলি দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিচার শেষ করতে হবে। পাশাপাশি বিশেষ ইউনিটকে আরও শক্তিশালী করার কথাও উল্লেখ করা হয়েছিল। বিচারপতিরা জানান, কিছু ক্ষেত্রে পাচার হওয়া শিশুদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে, যা প্রমাণ করে সমস্যার সমাধান অসম্ভব নয়। তবে এর জন্য প্রশাসনের সদিচ্ছা প্রয়োজন, যা এখনও যথেষ্ট দেখা যাচ্ছে না। আদালত আরও জানায়, কয়েকটি রাজ্য এখনও পর্যন্ত কোনও রিপোর্ট জমা দেয়নি। আবার অনেক জায়গায় পর্যবেক্ষণ কমিটিও গঠন করা হয়নি। এই পরিস্থিতিতে আদালত সতর্ক করে দিয়েছে, দায়িত্বে গাফিলতি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ২৯ এপ্রিল নির্ধারিত হয়েছে।


