সরকারি প্রচারমাধ্যম ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচার চালানো নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই অভিযোগ তুলেছে সিপিএম। তাদের দাবি, আদর্শ আচরণ বিধি জারি থাকা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী এমন কাজ করেছেন, যা নিয়মবিরুদ্ধ।ঘটনার সূত্রপাত শনিবার রাতে। সংসদে ডিলিমিটেশন সংক্রান্ত বিল নিয়ে জটিলতার পর প্রধানমন্ত্রী দেশের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন। সেই ভাষণে তিনি বিরোধী দলগুলির কড়া সমালোচনা করেন। অভিযোগ, এই ভাষণ সরকারি মাধ্যম দূরদর্শনে সম্প্রচার করা হয়, যা নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘনের সামিল। কারণ, পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুতে নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় ইতিমধ্যেই আচরণ বিধি কার্যকর রয়েছে।সিপিএম নির্বাচন কমিশনের কাছে জানিয়েছে, এই ধরনের প্রচার সাধারণ মানুষের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে এবং নির্বাচনের নিরপেক্ষতা ক্ষুণ্ণ হতে পারে। তাদের বক্তব্য, সরকারি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে কোনও রাজনৈতিক বার্তা দেওয়া উচিত নয়।এদিকে, মহিলা সংরক্ষণ আইন নিয়েও বিতর্ক তীব্র হয়েছে। ২০২৩ সালে এই আইন পাশ হলেও এখনও তা কার্যকর হয়নি। বিরোধীদের অভিযোগ, সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্ব করছে। নতুন সংশোধনী এনে লোকসভায় আসন পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাব তোলা হয়েছে, যার ফলে কিছু রাজ্যে আসন সংখ্যা বাড়তে পারে।বামপন্থী দলগুলির মতে, পুরনো আইন কার্যকর করতে কোনও বাধা নেই। জনগণনা বা সীমানা পুনর্বিন্যাসের মতো শর্ত বাদ দিলেই তা বাস্তবায়ন সম্ভব। তাদের অভিযোগ, মহিলাদের সংরক্ষণের বিষয়টি সামনে রেখে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। রাজ্যে প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী আবারও বিরোধীদের দোষারোপ করেছেন। তবে বামপন্থীদের দাবি, অতীতে পশ্চিমবঙ্গে তারাই স্থানীয় স্তরে মহিলাদের সংরক্ষণ চালু করে নজির গড়েছিল।
Popular Categories


