উত্তরপ্রদেশের বাহরাইচ-নানপাড়া জাতীয় মহাসড়কের (NH-927) ধারে কাজীজোত গ্রামে অবস্থিত একটি মসজিদ উচ্ছেদের পদক্ষেপে সাময়িক স্থগিতাদেশ দিল এলাহাবাদ হাইকোর্টের লখনউ বেঞ্চ। আদালতের আগাম অনুমতি ছাড়া ‘কেলু মসজিদ’ নামের এই ধর্মীয় কাঠামোর বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন বিচারপতি সুরভন্যা এবং বিচারপতি প্রমোদ কুমার শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চ। এই অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশে এলাকায় তৈরি হওয়া চরম উত্তেজনা আপাতত প্রশমিত হয়েছে। আগামী ২২শে জুন মামলার পরবর্তী শুনানি।
বিতর্কের সূত্রপাত ঘটে গত ১৫ই জুন, যখন জাতীয় মহাসড়ক কর্তৃপক্ষের (NHAI) প্রজেক্ট ডিরেক্টর প্রশান্ত কুমার বাজেতি স্থানীয় প্রশাসনকে একটি চিঠি পাঠান। ১৬ই জুন ওই কথিত বেআইনি স্থাপনাটি সরাতে তিনি পুলিশি নিরাপত্তার আবেদন জানান। এই চিঠিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও আশঙ্কার সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে জেলা প্রশাসন আশ্বস্ত করে যে, জমি জরিপ, আইনি নোটিশ প্রদান এবং নথিপত্র যাচাইয়ের মতো সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া শেষ না করে কোনো উচ্ছেদ চালানো হবে না।
এরই মধ্যে মসজিদের মুতাওয়াল্লি (তত্ত্বাবধায়ক) শাহিদ আলী ও অন্যান্যরা আইনজীবী সৈয়দা করম আজাদের মাধ্যমে আদালতের দ্বারস্থ হন। তাঁদের করা জরুরি আবেদনের ভিত্তিতেই হাইকোর্ট স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেয়। ২২শে জুনের শুনানিতেই নির্ধারিত হবে এই জমির আসল আইনি মালিকানা কার এবং সংকটের স্থায়ী সমাধান কী।


