উত্তর ২৪ পরগনার টাকি পৌরসভা ইছামতি নদীর সুন্দর তীরকে আগের মতো সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন করতে বড় অভিযান শুরু করেছে। পৌরসভা ৫৬টিরও বেশি অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করেছে। এর মধ্যে অন্তত ১৩টি বড় হোটেল রয়েছে।
১৭ জুন এসব প্রতিষ্ঠানের মালিকদের ধ্বংসের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ, অনুমোদিত নকশার বাইরে অতিরিক্ত নির্মাণ করা হয়েছে, যা পশ্চিমবঙ্গ পুরসভা আইন ১৯৯৩ এবং বিল্ডিং নিয়ম ২০০৭ লঙ্ঘন করেছে। নোটিশে সাত দিনের মধ্যে নিজ খরচে অবৈধ অংশ ভেঙে ফেলতে বলা হয়েছে। না মানলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
টাকি ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অবস্থিত একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। ইছামতি নদীর শান্ত পরিবেশ, সবুজ প্রকৃতি, ঐতিহ্যবাহী বাড়ি এবং দুর্গা বিসর্জনের জন্য প্রতি বছর হাজার হাজার পর্যটক আসেন। কিন্তু গত কয়েক বছরে নদীর তীরে অপরিকল্পিতভাবে হোটেল, লজ ও রিসর্ট গড়ে ওঠায় পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে বলে স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবেশকর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছিলেন।
পৌরসভার চেয়ারম্যান সোমনাথ মুখার্জি বলেন, “শুধু নদীর ধারে নয়, শহরের অন্যান্য জায়গাতেও নোটিশ দেওয়া হয়েছে। যাচাই করে দেখা গেছে অনেকে নিয়ম ভেঙেছে। মুখ্যসচিব ও জেলাশাসককে রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। যাদের অনিয়ম ধরা পড়েছে, তাদের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের নির্দেশ পেলেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

