তারাতলার গুদাম ভেঙে পড়ার ঘটনায় বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ‘কালী’ নামে একজনের কথা তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, কলকাতা পুরসভায় কালী না বললে কোনও বিল্ডিং প্ল্যান অনুমোদন হয় না।
পুরসভা সূত্রে জানা গেছে, এই কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের ওএসডি (অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি)। তিনি আগে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশে চাকরি করতেন, পরে প্রশাসনে যোগ দেন। ফিরহাদ মেয়র হওয়ার পর কালীচরণ দ্রুত প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন। মেয়রের আস্থাভাজন হয়ে পুরসভার অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ দেখতেন তিনি। ফিরহাদ মন্ত্রী হওয়ায় পুরসভায় পুরো সময় দিতে পারতেন না, তাই কালীচরণই অনেক সিদ্ধান্ত নিতেন।
মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, “কালীকে ধরলেই সব বেরিয়ে আসবে। এই কালী বাইপাসের ধারে তৃণমূল ভবন ২০০ কোটি টাকায় বানাচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, কালীচরণকে নিয়োগ করেছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিট অফিস।
২০২৪ সালে অভিষেকের অফিসের কর্মী অয়ন ঘোষদস্তিদার কালীচরণের বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার অভিযোগ করেছিলেন। তখন ফিরহাদ তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। কিন্তু এখন মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগের পর ফিরহাদ চুপ। ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর সন্তোষ পাঠক বলেন, পুরসভার পাশের হোটেলে বসে কালীচরণ টাকা নিতেন।


