বারুইপুরের এনকাউন্টার নিয়ে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হল রাজ্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (CID)-কে। ধর্ষণ ও খুনের মামলায় অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল মঙ্গলবার রাতে পুলিশের গুলিতে মারা যান। ওই ঘটনার পর থেকেই নানা প্রশ্ন উঠেছে। এবার পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখবে CID।
নিয়ম অনুযায়ী, যে পুলিশ জেলার অধীনে এনকাউন্টার হয়েছে, সেই জেলা নিজে এই ঘটনার তদন্ত করতে পারে না। তাই নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে বারুইপুরের ঘটনার তদন্তভার CID-এর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এনকাউন্টার সংক্রান্ত বিচারবিভাগীয় তদন্তও চলবে।
পুলিশের দাবি, মঙ্গলবার রাতে ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য প্রভাসকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়া হয়েছিল। সেই সময় ক্যানিং থানার এক পুলিশ আধিকারিকের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন তিনি। পুলিশ আরও দাবি করেছে, পালানোর সময় প্রভাস এক রাউন্ড গুলি চালান। এরপর আত্মরক্ষার জন্য পুলিশ পাল্টা গুলি চালায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রভাসের শরীরে দুটি গুলি লাগে। একটি বুকের ডান দিকে এবং অন্যটি কোমরের উপরের অংশে লাগে।
এই এনকাউন্টার ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও শুরু হয়েছে। তৃণমূলের একাংশ ঘটনাটিকে উত্তরপ্রদেশের এনকাউন্টার রাজনীতির সঙ্গে তুলনা করে সরকারের সমালোচনা করেছে। অন্যদিকে, দলের আরেক অংশ পুলিশের পদক্ষেপকে সমর্থন করেছে। কংগ্রেস ও সিপিএমও বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
এখন CID আধিকারিকরা খতিয়ে দেখবেন, এনকাউন্টারের রাতে ঠিক কী ঘটেছিল এবং পুলিশের দাবি কতটা সত্য। বিচারবিভাগীয় তদন্তের পাশাপাশি এই তদন্তও চলবে।


