দেশে নতুন চাকরির সংখ্যা ঠিক কত? গত ৯ মাস ধরে এই প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর মিলছে না। কারণ, ২০২৫ সালের অক্টোবরের পর থেকে এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন (ইপিএফও) নতুন পিএফ গ্রাহকের মাসিক তথ্য প্রকাশ করেনি। সাধারণত এই পরিসংখ্যান থেকেই সংগঠিত ক্ষেত্রে কত নতুন চাকরি তৈরি হয়েছে, তার একটি ধারণা পাওয়া যায়।
কেন এই তথ্য প্রকাশ বন্ধ, সে বিষয়ে কেন্দ্র বা ইপিএফওর পক্ষ থেকে কোনও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। তবে একই সময়ে কেন্দ্র নিয়মিত বেকারত্বের হার প্রকাশ করছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মে মাসে দেশে বেকারত্বের হার ছিল ৫.৫ শতাংশ, যা আগের কয়েক মাসের তুলনায় বেশি।
বিশেষজ্ঞদের একাংশের দাবি, সরকারি বেকারত্বের হিসাব নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কারণ, সপ্তাহে মাত্র এক ঘণ্টা কাজ করলেও সরকারি হিসেবে সেই ব্যক্তিকে আর বেকার ধরা হয় না। তাই প্রকৃত চিত্র এই পরিসংখ্যানে পুরোপুরি ধরা পড়ে না বলেই তাঁদের মত।
শেষবার ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ২১ লাখ নতুন কর্মী পিএফের আওতায় এসেছিলেন। এরপর আর কোনও মাসের তথ্য প্রকাশ হয়নি।
ইপিএফওর একাংশের আধিকারিকদের দাবি, গত বছর চালু হওয়া ‘প্রধানমন্ত্রী বিকশিত ভারত রোজগার যোজনা’-র ফলাফল আলাদা করে তুলে ধরতেই এই তথ্য প্রকাশে দেরি করা হচ্ছে। যদিও এই অভিযোগ নিয়ে কেন্দ্রের তরফে এখনও কোনও সরকারি প্রতিক্রিয়া মেলেনি।


