বারুইপুরের নাবালিকা গণধর্ষণ ও খুনের মামলায় ফের বদলে দেওয়া হল তদন্তকারী অফিসার (আইও)। ঘটনার এক সপ্তাহের মধ্যেই দ্বিতীয়বার এই পরিবর্তন করা হল। এবার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বারুইপুর পুলিশ জেলার এক ডিএসপি পদমর্যাদার আধিকারিককে। যদিও এই সিদ্ধান্তের কারণ নিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে অসন্তোষ থেকেই এই বদল বলে মনে করা হচ্ছে।
এর আগে প্রথমে এক সাব-ইনস্পেক্টর এবং পরে থানার তৎকালীন আইসিকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এবার তাঁদের সরিয়ে উচ্চপদস্থ আধিকারিককে দায়িত্ব দেওয়ায় তদন্তের মান নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে।
এদিকে, মামলার অন্যতম অভিযুক্ত কবির মোল্লা জেরায় অপরাধে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে পুলিশ সূত্রের দাবি। তদন্তকারীদের কাছে সে জানিয়েছে, ঘটনার দিন প্রভাস মণ্ডলের ডাকে ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে নাবালিকার উপর নির্যাতনে অংশ নেওয়া, মারধর করা এবং পরে অচৈতন্য অবস্থায় দেহ সরাতেও সাহায্য করার কথা সে স্বীকার করেছে বলে খবর।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পরে কবির শিয়ালদহ হয়ে বসিরহাটে এক আত্মীয়ের বাড়িতে লুকিয়ে ছিল। সেখান থেকে বাংলাদেশে পালানোর পরিকল্পনা ছিল তার। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
অন্যদিকে, গণপিটুনিতে ইন্দ্রজিতের মৃত্যুর ঘটনায় আরও এক অভিযুক্তকে দত্তপুকুর থেকে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে ভাঙচুরের অভিযোগেও আরও একজন গ্রেপ্তার হয়েছে। সব মিলিয়ে এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৪১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।


