ইথানল মেশানো ই-২০ পেট্রল নিয়ে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি এনডিএ সমর্থকদের একাংশের মধ্যেও অনীহা দেখা যাচ্ছে। সি ভোটারের সাম্প্রতিক এক সমীক্ষা বলছে, ৫২.৫ শতাংশ এনডিএ ভোটার তাঁদের গাড়িতে ই-২০ পেট্রল ব্যবহার করতে চান না। মাত্র ১৮.১ শতাংশ এই জ্বালানি ব্যবহারে আগ্রহ দেখিয়েছেন। বাকি ২৯.৫ শতাংশ এখনও কোনও মত জানাননি।
সমীক্ষায় আরও জানা গিয়েছে, অংশগ্রহণকারীদের ৫২ শতাংশ পেট্রলে ইথানল মেশানোর সরকারি নীতির বিরোধিতা করেছেন। এনডিএ ভোটারদের মধ্যেও ৪৮.২ শতাংশ এই নীতির বিপক্ষে, আর ২৪.৪ শতাংশ এর পক্ষে মত দিয়েছেন। প্রায় ২৭.৪ শতাংশ এখনও সিদ্ধান্তহীন।
কয়েক দিন আগেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়করি দাবি করেছিলেন, ইথানল মেশানো জ্বালানির কারণে কোনও গাড়ির ক্ষতির প্রমাণ এখনও মেলেনি। তবে এই সমীক্ষা প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
ইথানল মূলত আখ, ভুট্টা-সহ কৃষিজ ফসল থেকে তৈরি এক ধরনের জৈব জ্বালানি। আমদানি করা তেলের উপর নির্ভরতা কমাতে এবং বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে কেন্দ্র ই-২০ পেট্রলের উপর জোর দিচ্ছে।
তবে অনেক গাড়ি মালিকের অভিযোগ, ই-২০ ব্যবহারে মাইলেজ কিছুটা কমে যায় এবং ইঞ্জিনের উপরও প্রভাব পড়তে পারে। কেন্দ্রও স্বীকার করেছে, কিছু গাড়িতে ই-২০ ব্যবহারে ৩ থেকে ৫ শতাংশ পর্যন্ত মাইলেজ কমতে পারে। এছাড়া এই জ্বালানির দাম সব সময় সাধারণ পেট্রলের চেয়ে কম হবে, এমন নিশ্চয়তাও নেই। কারণ, এর দাম নির্ভর করে অশোধিত তেলের পাশাপাশি ইথানলের বাজারদরের উপরও।


