তৃণমূলের ২০ ‘বিদ্রোহী’ সাংসদের পদ থাকবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নোটিসের পর এবার লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাও তাঁদের কাছে জবাব চেয়েছেন। প্রত্যেক সাংসদকে আলাদা চিঠি দিয়ে বলা হয়েছে, কেন তাঁদের সাংসদ পদ বাতিল করা হবে না, তা যুক্তি দিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে লিখিত ভাবে জানাতে হবে।
কাকলি জানিয়েছেন, তাঁরা আইন মেনেই দুই-তৃতীয়াংশ সাংসদ একসঙ্গে দল বদল করেছেন। সেই সিদ্ধান্তের কথাও স্পিকারকে যৌথ চিঠিতে জানানো হয়েছিল। তাই এবারও একসঙ্গেই জবাব দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
স্পিকারের এই পদক্ষেপে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির কিছুটা স্বস্তি পেলেও অন্য শিবিরের সাংসদেরা পাল্টা প্রস্তুতি শুরু করেছেন। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষদস্তিদার-সহ অনেকে আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে জবাব তৈরি করছেন।
প্রাক্তন আইনমন্ত্রী কপিল সিবালও মনে করেন, সাংসদদের পদ বাতিল হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
তবে তৃণমূলের মমতাপন্থী সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, শেষ পর্যন্ত ২০ জনেরই পদ যাবে। তাঁর বক্তব্য, এক বছরের মধ্যে ওই আসনগুলিতে উপনির্বাচন হতে পারে এবং দিল্লির সরকারও চাপে পড়বে।
অন্যদিকে, মহুয়া মৈত্র স্পিকারের পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর অভিযোগ, এত দিন কোনও কার্যকর ব্যবস্থা না নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে শুনানির দিনই নোটিস পাঠানো হয়েছে।


