ঝাড়গ্রামের বেলপাহাড়ীতে এক স্কুলপড়ুয়াকে নিগ্রহের ঘটনায় চরম উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। গত রবিবার বিকেলে টোটো করে টিউশনে যাওয়ার পথে চালক ওই নাবালিকাকে নির্জন জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন চালায় বলে অভিযোগ। ঘটনার পর ভয়ে ও মানসিক আঘাতে মেয়েটি পরদিন স্কুল এবং কোচিংয়ে যাওয়া বন্ধ করে দেয়। মায়ের প্রশ্নের মুখে পড়ে সে পুরো ঘটনার কথা খুলে বলে। এর পর পরিবারের তরফে বেলপাহাড়ী থানায় লিখিত অভিযোগ জানালে পুলিশ রূপকুমার দাস নামের এক যুবককে দ্রুত গ্রেফতার করে জেলে পাঠায়।
ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসতেই বেলপাহাড়ী ও সংলগ্ন এলাকায় ক্ষোভের আগুন জ্বলে ওঠে। অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে শিলদা-বাঁকুড়া রাজ্য সড়ক অবরুদ্ধ করে আন্দোলনে নামেন আদিবাসী সমাজের প্রতিনিধি ও স্থানীয় বাসিন্দারা। হাতে পোস্টার-প্ল্যাকার্ড নিয়ে মহিলারা প্রতিবাদে শামিল হন। ক্ষোভের মাত্রা এতটাই বাড়ে যে বিক্ষোভকারীরা কড়া পদক্ষেপের দাবিতে ভাঙচুরও চালান।
সংগঠনের নেতৃত্ব এবং স্থানীয় রাজনৈতিক প্রতিনিধিদের যৌথ দাবি, কেবল আটক করাই যথেষ্ট নয়, দ্রুত তদন্ত শেষ করে অভিযুক্তকে কঠোরতম আইনি সাজা দিতে হবে। পুলিশ প্রশাসনকে মামলা পরিচালনায় কোনো ঢিলেঢালা ভাব না দেখানোর আর্জি জানানো হয়েছে। ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিশ জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর পরই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তদন্ত শুরু হয়েছে।


