শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতি এবং নিট পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদে দিল্লির যন্তরমন্তরে আন্দোলনে নেমেছিলেন দীপকে-সহ কয়েক জন ছাত্রনেতা। শুরুতে কোনও রাজনৈতিক দলের সরাসরি সমর্থন ছাড়াই দিনের পর দিন তাঁদের কর্মসূচি চলেছিল। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগও দাবি করেছিলেন তাঁরা।
তাঁদের পাশে দাঁড়িয়ে অনির্দিষ্টকালের অনশন শুরু করেছিলেন সোনম ওয়াংচুক। পরে তিনি অনশন তুলে নিলেও ছাত্রদের আন্দোলন চলতে থাকে। কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনার পর শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদ ছাড়েন। তবে এরপরও থামেনি তাঁদের কর্মসূচি। দেশের বিভিন্ন জায়গায় স্কুল পরিদর্শন এবং শিক্ষার মান উন্নত করার নানা উদ্যোগ চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা।
২০ জুলাই সংসদ ভবন অভিযানের ডাক দিয়েছিল ছাত্রদের সংগঠন সিজেপি। পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনার পর অনেকে আন্দোলন থেকে সরে যান। ওয়াংচুকের দাবি, তখন নেতৃত্ব আন্দোলন বন্ধ করার কথা ভাবছিল। তাঁকে এমন একটি পোস্ট করতেও বলা হয়েছিল, যাতে আন্দোলনকারীদের বাড়ি ফিরে বিশ্রাম নিতে বলা হয়। পোস্টটি তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত প্রকাশ করা হয়নি।
সম্প্রতি এক পডকাস্টে ওয়াংচুক জানান, ছাত্রনেতাদের মধ্যে রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে আগ্রহ থাকা অস্বাভাবিক নয়। তবে তাঁরা রাজনীতিতে গিয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে পড়বেন কি না, তা নিয়ে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেছে। তাঁর কথায়, মানুষ সময়ের সঙ্গে বদলায়। তবে তিনি আশা করেন, দীপকেরা নিজেদের মূল্যবোধ থেকে সরে যাবেন না।
২১ জুলাই ফের বহু আন্দোলনকারী যন্তরমন্তরে ফিরে আসেন। তাঁদের দেখে নতুন করে উৎসাহ পান নেতৃত্বরা। পরে বিরোধীদের সঙ্গে যোগাযোগের কথা ভাবলেও সাড়া মেলেনি। এরপরই সরকারের পক্ষ থেকে তাঁদের সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়।


