গুজরাটের আহমদাবাদে ৪০০ বছরের পুরনো মানসা মসজিদ ঘিরে রাস্তা সম্প্রসারণের কাজে মসজিদের একাংশ ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মসজিদ কর্তৃপক্ষ গুজরাট হাইকোর্টে স্থগিতাদেশ চাইলেও তা মেলেনি। পরে তারা সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন, কিন্তু শুক্রবার সর্বোচ্চ আদালতও হাইকোর্টের রায়ে হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকার করে। বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির বেঞ্চ জানায়, মসজিদের মূল কাঠামো অক্ষত থাকছে, কেবল একাংশ ভাঙার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এবং সেই সঙ্গে কিছু আবাসিক ও বাণিজ্যিক সম্পত্তিও ভাঙা হচ্ছে। তাই আদালত মনে করছে, এই বিষয়ে হাইকোর্টের রায়ে হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই।
তবে বেঞ্চ জানতে চেয়েছে, মানসা মসজিদটি ওয়াকফ সম্পত্তির অন্তর্ভুক্ত কি না। যদি তা হয়, তাহলে ক্ষতিপূরণ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। মসজিদটি আহমদাবাদের সরসপুর এলাকায় সবরমতী রেলস্টেশনের কাছে অবস্থিত। ওই অঞ্চলে রাস্তা বড় করার কাজ চলছে, যার অংশ হিসেবেই এই মসজিদটি ভাঙার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ৩ অক্টোবর গুজরাট হাইকোর্ট আহমদাবাদ পুরসভার সম্প্রসারণ প্রকল্পে স্থগিতাদেশ দিতে অস্বীকার করেছিল। এরপর মসজিদ কর্তৃপক্ষ সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন। তাদের পক্ষে আইনজীবী ওয়ারিসা ফারাসাত আদালতে বলেন, “মসজিদের মূল অংশ অক্ষত থাকলেও নামাজ পড়ার হলটি ভেঙে ফেলা হচ্ছে, যা ঐতিহাসিক ভাবে গুরুত্বপূর্ণ।” আদালতের রায় অনুযায়ী, আপাতত মানসা মসজিদের একাংশ ভাঙার কাজ এগোবে। তবে মসজিদ কর্তৃপক্ষ ওয়াকফ সম্পত্তি ও ক্ষতিপূরণের বিষয়টি নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপের কথা ভাবছে।


