দরিদ্র কৃষক পরিবারে জন্ম ববিতার। বাবা আবেদ আলী সরদার নিজে খেলাধুলায় বড় কিছু করতে না পারলেও মেয়েকে নিয়ে সেই স্বপ্ন দেখেছিলেন। মায়ের অক্লান্ত সমর্থন আর নিজের কঠোর পরিশ্রমে ববিতা আজ পৌঁছে গেছে স্বপ্নপূরণের ঠিক এক ধাপ আগে।
ছোট থেকেই খেলাধুলার প্রতি ঝোঁক ছিল তার। প্রথমে অ্যাথলেটিক্সে নাম করলেও পরে ক্যারাটেকে বেছে নিয়েছে ববিতা। আট বছরের সাধনায় পেয়েছে ব্ল্যাক বেল্ট। রাজ্য ও রাজ্যের বাইরে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় পদক জিতে বাংলার মুখ উজ্জ্বল করেছে। সম্প্রতি পাঞ্জাব-হরিয়ানায় ৫০ কেজি বিভাগে প্রথম স্থান দখল করে সে। আর সেই সাফল্যের হাত ধরেই ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত এশিয়ান গেমসের যোগ্যতা নির্ণয় প্রতিযোগিতার ডাক এসেছে।
গ্রামের মানুষরাও ববিতার পাশে দাঁড়িয়েছেন। পাসপোর্ট বা বিদেশযাত্রার খরচ নিয়ে যদি সমস্যা হয়, তারা সকলে সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন। গ্রামের সবার একটাই স্বপ্ন—ববিতা দেশের হয়ে পদক জিতে ফিরুক।
আজ কুশুডাঙ্গা গর্বিত ববিতাকে নিয়ে। ববিতার চোখে এখন একটাই স্বপ্ন—২০২৬ সালের জাপানের এশিয়ান গেমসে দেশের জন্য সোনা জেতা।


