সরকারি চাকরি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জন্য নির্ধারিত কোটা বাতিলের দাবিতে গত বছর জুলাইয়ে শুরু হওয়া আন্দোলনে অনেক শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। সেই আন্দোলনে টানা তিন মেয়াদের শাসক শেখ হাসিনাকে বিদায় নিতে হয়েছিল। কিন্তু আজ সেই আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য নতুন করে কোটা রাখার দাবি উঠেছে। মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার ইতিমধ্যেই ‘জুলাই আন্দোলনকারীদের কোটা’ স্বীকার করে নিয়েছে।
এবার সেকেন্ডারি স্কুল সার্টিফিকেট ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জন্য একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান কোটা’ চালুর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রকের সূত্রে জানা গেছে, কোটা নিয়ে নতুন খসড়া নীতিমালায় এ বিষয়ে আলাপ চলছে। একই সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জন্য থাকা কোটা বাতিল করার কথাও ভাবা হচ্ছে।
গত বছরের জুলাই আন্দোলনে আহত ও নিহত ছাত্রছাত্রীদের পরিবারের সন্তানদের জন্য এই কোটা চালু করা হবে বলে জানা গেছে। অনেক শিক্ষার্থী অসুস্থ থাকায় পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি বা ভাল ফল করতে পারেনি। শিক্ষা মন্ত্রকের এক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘তারা যাতে বঞ্চিত না হয়, তাই সীমিত পরিমাণ কোটা দেওয়া হবে।’ গত বছরও নীতিমালা ছাড়াই কিছু ছাত্রছাত্রীকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছিল বলে জানান মন্ত্রকের কর্মকর্তা। এখন আইনি বাধ্যবাধকতা দিয়ে কোটা চালু করার পরিকল্পনা চলছে।


