বিস্তারিত আলোচনার পর অবশেষে ইসরায়েল ও হামাস গাজা যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপে একটি চুক্তিতে হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে কাতারের মধ্যস্থতায় এই চুক্তি হয়। এতে বলা হয়েছে, যুদ্ধের অবসান, বন্দী মুক্তি এবং গাজায় স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনগুলির প্রবেশ নিশ্চিত করা হবে। চুক্তিটি হয়েছে মিশরের শারম আল-শেখ শহরে, যেখানে কাতার, মিশর, তুরস্ক এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। হামাস জানিয়েছে, তারা এই চুক্তিতে সম্মত হয়েছে কারণ এতে গাজা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর প্রত্যাহার, ফিলিস্তিনি জনগণের উপর হামলা বন্ধ এবং মানবিক সহায়তার পথ খুলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি রয়েছে। অপরদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, “এই চুক্তি আমাদের জাতীয় ও নৈতিক বিজয়। আমরা সকল বন্দিকে ফেরত আনার প্রতিশ্রুতি রেখেছি।” তিনি আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সহায়তা ছাড়া এটি সম্ভব হতো না। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ অ্যাকাউন্টে লেখেন, “এটি ইসরায়েল, আরব ও মুসলিম বিশ্ব এবং আমেরিকার জন্য এক মহান দিন।” তিনি জানান, খুব শীঘ্রই বন্দিদের মুক্তি ও সৈন্যদের সীমান্ত রেখায় ফেরত পাঠানো হবে। চুক্তির অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ, জ্যারেড কুশনার, তুর্কি গোয়েন্দা প্রধান ইব্রাহিম কালিন ও কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদসহ গুরুত্বপূর্ণ নেতারা আলোচনায় অংশ নিয়েছেন। এদিকে গাজার সরকারি সূত্র জানিয়েছে, গত পাঁচ দিনে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় ১২৬ জন নিহত হয়েছে। সবমিলিয়ে দুই বছরে গাজায় মারা গেছে ৬৭ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি।
গাজা যুদ্ধবিরতি নিয়ে ইসরায়েল-হামাস চুক্তি স্বাক্ষরিত হল কাতারের মধ্যস্থতায়
Popular Categories


