রাজ্যের সরকারি স্কুলগুলিতে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর তীব্র অভাব সামনে এল সাম্প্রতিক সরকারি তথ্যেই। হিন্দি, হেয়ার এবং এপি—এই তিন ধরনের সরকারি স্কুল মিলিয়ে মোট শূন্যপদের হার প্রায় ৫০ শতাংশে পৌঁছেছে বলে জানা গিয়েছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্যাহত হচ্ছে পঠনপাঠনের কাজ, বাড়ছে শিক্ষার মান নিয়ে উদ্বেগ।
শিক্ষা দফতর সূত্রে খবর, বহু স্কুলে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক না থাকায় একটি বা দুটি বিষয় সামলাতে হচ্ছে একজন শিক্ষককেই। কোথাও আবার শিক্ষাকর্মীর অভাবে প্রশাসনিক কাজেও সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে ক্লাস পরিচালনা থেকে শুরু করে পরীক্ষার প্রস্তুতি—সব ক্ষেত্রেই।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগ প্রক্রিয়া ঝুলে থাকাই এই পরিস্থিতির মূল কারণ। বহু শিক্ষক অবসর নেওয়ার পর সেই জায়গাগুলি আর পূরণ হয়নি। ফলে স্কুলের উপর চাপ ক্রমশ বাড়ছে, আর তার সরাসরি প্রভাব পড়ছে পড়ুয়াদের উপর।
অভিভাবকদের একাংশের অভিযোগ, সরকারি স্কুলগুলিতে পরিকাঠামো থাকলেও জনবলের অভাবে সেই সুবিধা পুরোপুরি কাজে লাগানো যাচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রেই পড়ুয়ারা প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা পাচ্ছে না।
শিক্ষা দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, শূন্যপদের বিষয়টি সরকার গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। প্রয়োজনীয় নিয়োগের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে বাস্তবে সেই প্রক্রিয়া কবে শুরু হবে, তা নিয়ে এখনও প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।


