দেশের জনবিন্যাস পরিবর্তনের বিষয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সম্প্রতি দাবি করেছেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অনুপ্রবেশ বাড়ছে এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি বলেছেন, এ ধরনের পরিবর্তন জনবিন্যাসে প্রভাব ফেলছে। তবে বিরোধীরা কেন্দ্রকে প্রতিহত করার অভিযোগ তুলেছেন। তাদের বক্তব্য, আসন পুনর্বিন্যাস, ডোমিসাইল শংসাপত্র প্রদানসহ কাশ্মীর ও অন্যান্য রাজ্যে নীতি গ্রহণের মাধ্যমে জনবিন্যাসকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। অসমের মতো রাজ্যেও বিধানসভা আসন পুনর্বিন্যাসের কাজ চলছে। বিরোধীরা বলছেন, এতে মুসলিম ভোটে নির্ণায়ক শক্তি হিসেবে কার্যকর হতে পারবে না।
কেন্দ্র এই ধরনের পরিবর্তনের মোকাবিলায় ‘ডেমোগ্রাফি মিশন’ বা জনবিন্যাস অভিযান শুরু করেছে। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, এটি ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষা এবং জনবিন্যাসের পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলার জন্য একটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। তিনি বলেন, এই পদক্ষেপ সাহসী এবং দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
অমিত শাহের মন্ত্রণালয়ও এই সমস্যা সমাধানে ‘থ্রি ডি’ পরিকল্পনা তৈরি করেছে। এর লক্ষ্য হচ্ছে জনবিন্যাসে হঠাৎ পরিবর্তন রোধ করা এবং দেশের নিরাপত্তা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষা করা। এদিকে বিরোধী দলগুলি এই উদ্যোগকে সমালোচনা করছে এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় নীতি প্রয়োগের চেষ্টা।

