SIR নিয়ে জটিলতা যেন কাটতে চাইছে না! SIR নিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি বন্ধের দাবিতে ১০ দফায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিককে চিঠি দিল ‘অল ইন্ডিয়া সেকুলার ফন্ট’ (ISF)।
SIR এর শুনানি নিয়ে বিতশ্রদ্ধ সাধারন মানুষ। SIR নিয়ে একের পর এক নির্দেশ বদলানোয় সমস্যায় পড়ছেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজে যুক্ত BLO-রা। কিছুদিন আগেই নির্বাচন কমিশন স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড আর SIR-এর নথি হিসেবে গ্রহণ করা হবে না। নির্বাচন কমিশনের এমন খামখেয়ালী সিদ্ধান্তে কার্যত বিপাকে পড়েছে, পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষের একটা বড় অংশ। ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ইলেকশন কমিসনকে নিয়ে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত বিক্ষোভ দেখা গেছে।
এমন আবহর জন্য ইলেকশন কমিশন ও রাজ্য সরকারকে দায়ী করলেন ISF নেতা নওশাদ সিদ্দিকী। তার দাবি অনুযায়ী গণনা পর্বের পরবর্তীতে যাচ্ছে পর্যায়ক্রমে যুক্তিগত অসঙ্গতি (Logical Discrepancies)-এর নামে অহেতুক অতিরিক্ত শুনানি করানো হচ্ছে। এই শুনানি পর্বে বয়স্ক মানুষ, অসুস্থ মানুষ, গর্ভবর্তী মহিলাদের চরম হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে যা একেবারেই প্রত্যাশিত নয়। ISF এর পক্ষ থেকে এই হয়রানি অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি জানানো হয়েছে। নওশাদ অভিযোগ করেন, সন্তান ও পিতা অথবা মাতার ন্যূনতম বয়সের ব্যবধান ১৫ বছরের কম বা ৫০ বছরের অধিক হলে তাদেরকেও শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। কয়েক দশক পূর্বে বাংলায় কম বয়সে বিয়ের প্রচলন ছিল তাই এই ধরনের শুনানির যৌক্তিকতা নেই বলেই জানিয়েছেন তিনি। নওশাদ দাবি করেন পর্যাপ্ত কম্পিউটার অপারেটর না দেওয়ার কারণে ভুল হচ্ছে নামের বানান। যার ফলে ইলেকশন কমিশনের পাশাপাশি তিনি তীব্র আক্রমণ করেছেন রাজ্য সরকারকে। নওশাদের দাবি রাজ্য সরকার কখনোই এই দায় এড়িয়ে যেতে পারে না।


