গাজা উপত্যকার তুফফা এলাকায় আয়বাকি মসজিদ নামক একটি সাড়ে সাতাশ ঐতিহাসিক মসজিদে বোমা হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এটি ১৩ শতকে মামলুক শাসকেরা তৈরি করেছিলেন। গতকাল, ১৬ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার), চালানো এই হামলায় মসজিদটির মিনারের অংশটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়। এই মসজিদটি ফিলিস্তিনিদের জন্য শুধু ধর্মীয় স্থাপনা ছিল না বরং গাজার মানুষের কাছে এটি ছিল ইতিহাস ও গৌরবের প্রতীক। মসজিদটি মুসলিম নেতা শেখ আব্দুল্লাহ আল-আয়বাকির নামে নামকরণ করা হয়েছিল। তিনি মিসরের প্রথম মামলুক সুলতান ইজ আল-দ্বীন আয়বেকের আত্মীয় ছিলেন বলে জানা যায়। ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয় ২০২৩ সালে এবং সেই সময় থেকে এখনো অব্দি ইসরায়েল গাজার বিভিন্ন ধর্মীয় স্থান, পুরাকীর্তি এবং সাধারণ মানুষের বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে আসছে। এর ফলে বহু ঐতিহাসিক স্থাপনা ধ্বংসও হয়েছে।
সম্প্রতি, ইসরায়েল নতুন করে গাজা শহরে হামলা শুরু করেছে। সেখানকার প্রায় ১০ লাখ মানুষকে এলাকা ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে তারা। তবে এখনো অনেক মানুষ সেখানে রয়েছেন বলে জানা যায় এবং সেই কারণে ভয় সৃষ্টি করতে ইসরায়েল বাড়িঘর, স্কুল, হাসপাতাল ও মসজিদে হামলা চালাচ্ছে। জাতিসংঘের তদন্ত কমিশন অনুযায়ী ইসরায়েল গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে। এই যুদ্ধে এখনও পর্যন্ত গাজায় ৬৫ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং প্রায় ২ লাখ মানুষ আহত হয়েছেন।


