ট্রাম্পের উপর হামলার তীব্র নিন্দা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেই-র মৃত্যুর পর ৫ দিন সময় লেগেছিল শোকপ্রকাশ করতে। নরেন্দ্র মোদীর অবস্থান নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
শনিবার রাতে (ওয়াশিংটনের সময়) হোয়াইট হাউসের অদূরে ওয়াশিংটন হিলটন হোটেলে একটি নৈশভোজে গিয়েছিলেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্পের সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। এছাড়া, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স-সহ একাধিক মার্কিন উচ্চপদস্থ আধিকারিক ও নেতা নৈশভোজে উপস্থিত ছিলেন। আচমকাই সেখানে গুলি চলে। দ্রুত সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় ট্রাম্পকে।
ঘটনার পর ট্রাম্প অভিযুক্তের একটি ছবি নিজের সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেন। সেখানে খালি গায়ে এক যুবককে উপুড় করে শুয়ে রাখা হয়েছে। তাঁর হাত এবং পা বাধা, চোখ বন্ধ। এরপরই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
সমাজমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লেখেন, “ওয়াশিংটন ডিসির একটি হোটেলে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া নিরাপত্তা সংক্রান্ত ঘটনার পর রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প, ফার্স্ট লেডি এবং উপরাষ্ট্রপতি যে নিরাপদ ও অক্ষত আছেন—তা জানতে পেরে আমি স্বস্তি বোধ করছি। তাঁদের অব্যাহত নিরাপত্তা ও সুস্বাস্থ্যের জন্য আমি আমার শুভকামনা জানাই। গণতন্ত্রে সহিংসতার কোনো স্থান নেই এবং এর অবশ্যই দ্ব্যর্থহীন ভাষায় নিন্দা জানানো উচিত”।
রাজনীতিবিদদের একাংশের প্রশ্ন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করতে প্রধানমন্ত্রীর ৫ দিন সময় লেগেছিল। আর আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের উপর হামলার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই নিন্দা জানাচ্ছেন তিনি। কেন এই দ্বিচারিতা হবে? আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ভালো রাখতে হলে সকলকেই সমান গুরুত্ব দেওয়া উচিত। কিন্তু বার বার ভারতের উপর চাপসৃষ্টিকারী ট্রাম্পকে প্রধানমন্ত্রীর বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া অনেকেই মেনে নিতে পারছেন না।


