বর্তমানে ভারতের অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতি অত্যন্ত উদ্বেগ জনক একটি বিষয় হয়ে উঠেছে। খাদ্য, জ্বালানি ও বাসস্থানের ব্যয় সাধারণ মানুষের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। অপরদিকে কেন্দ্রীয় সরকার পরিচালিত শিক্ষা ক্ষেত্রে সরকারি স্কুলগুলোতে শিক্ষক নিয়োগে শূন্য পদের সংখ্যা অত্যন্ত উদ্বেগ জনক। শিক্ষক নিয়োগ না হওয়ার কারণে দেশের নানান প্রান্তে কেন্দ্রীয় সরকার পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি ভুগছে শিক্ষকের অভাবে।
এমন পরিস্থিতিতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি বিদেশ সফরের ব্যয় ভারতবর্ষের একজন সাধারণ মধ্যবিত্ত মানুষের সারা জীবনের আয়ের সমতুল্য বা তার চেয়েও বেশি। চলতি বছরে দুদিনের জন্য সৌদি আরব সফরে যান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গত ২২ এবং ২৩ শে এপ্রিল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিদেশ সফরে খরচা হয় ১৪ কোটি ৩২ লক্ষ ১৭ হাজার ৫৮৮ টাকা। দুদিনের সফরে হোটেলের জন্য খরচা হয়েছে ১০ কোটি ২৬ লক্ষ ৩৯ হাজার ৬৫৮ টাকা, এবং পরিবহনের জন্য খরচ ৪ কোটি ৫ লক্ষ ৭৭ হাজার ৯৩০ টাকা, এমনটাই জানা গেছে কনসাল জেনারেল অফ ইন্ডিয়া মারফত।
এ নিয়ে তীব্র কটাক্ষের সুর চড়িয়েছে বিরোধীরা। দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ যদিও বিরোধীদের কটাক্ষের সাফাইতে বলেন, “হোটেলের ব্যায় কমানোর জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এয়ারপোর্টের স্নানাগার ব্যবহার করেছেন।”


