চলতি বছরে পবিত্র রমযান মাসের সূচনা নিয়ে বিশ্বজুড়ে পশ্চিমী দেশগুলোতে সাধারণ মানুষের মধ্যে খুশির আমেজ দেখা দিয়েছে। প্রথমে ব্রুনেই সরকার রমযানের চাঁদ দেখা যাওয়ার খবর জানায়। এরপর পর্যায়ক্রমে ফিলিপাইন, ওমান, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব একই ঘোষণা দেয়। ১৭ই ফেব্রুয়ারি চাঁদের খবর প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা রমযান উপলক্ষে শুভেচ্ছা বার্তা দেন। মসজিদগুলোতে শুরু হয় তারাবির নামাজের প্রস্তুতি।
দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে ১৮ই ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় চাঁদ দেখার উদ্যোগ নেওয়া হবে। সাধারণত আরব দেশের একদিন পর এ অঞ্চলে রমযান শুরু হয়। চাঁদ দেখা নিশ্চিত হলেই সেদিন রাত থেকে তারাবির নামাজ আদায় করা হয়।অন্যদিকে আজারবাইজান, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, উজবেকিস্তান ও ইরান জানিয়েছে, সেখানে চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে এসব দেশে সৌদি আরবের একদিন পর রমযান শুরু হবে।
ইসলামে চাঁদ দেখেই রোজা শুরুর বিধান রয়েছে। তাই শাবান মাসের ২৯ তারিখে বিভিন্ন দেশে বিশেষভাবে আকাশ পর্যবেক্ষণ করা হয়। অনেক সরকার আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় চাঁদ দেখার ব্যবস্থা করে থাকে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষেই সরকারিভাবে রমযান শুরুর ঘোষণা দেওয়া হয়। রমযান শেষে উদযাপিত হয় মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর। তাই চাঁদের ঘোষণাকে ঘিরে থাকে সবার আগ্রহ ও অপেক্ষা।


