রামপুরহাটে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে হত্যার ঘটনায় ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল এলাকা। ২০ দিন নিখোঁজ থাকার পর ওই ছাত্রীর দেহাংশ বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন গ্রামবাসীরা। ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার সকালে স্কুলে ঢোকার সময় প্রধান শিক্ষককে ঘিরে ধরে মারধর করেন স্থানীয়রা। পুলিশ উপস্থিত থাকলেও, তাদের সামনেই লাথি, ঘুষি ও চড় মারেন গ্রামবাসীরা। মারধরের ফলে প্রধান শিক্ষকের জামা ও ব্যাগ ছিঁড়ে যায় বলে অভিযোগ। পুলিশ যখন শিক্ষককে গাড়িতে তুলে নিয়ে যেতে যায়, তখন সেই গাড়িকেও ধাওয়া করেন উত্তেজিত জনতা।
এছাড়া, বাকি শিক্ষকদের স্কুলের ভিতরেই তালাবদ্ধ করে রাখা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
এই ঘটনার সূত্রপাত ওই ছাত্রী নিখোঁজ হওয়ার পর। ২৮ আগস্ট রামপুরহাটে যাওয়ার পথে হঠাৎই নিখোঁজ হয়ে যায় সে। ২০ দিন পর কালিডাঙা জঙ্গল থেকে তার দেহাংশ উদ্ধার হয়। পুলিশ তদন্তে নেমে এক স্কুলের ফিজিক্স শিক্ষককে গ্রেফতার করে। পুলিশ জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে খুনের কথা স্বীকার করেছে ওই শিক্ষক। তার বিরুদ্ধে খুন, অপহরণ ও প্রমাণ লোপাটের মামলা রুজু করা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষক পুরুলিয়ার বাসিন্দা, কর্মসূত্রে থাকতেন রামপুরহাটে বলে জানা যায়।


