উত্তরপ্রদেশের সম্ভল জেলায় একটি সরকারি প্রাথমিক স্কুলে কোরানের আয়াতের ফ্রেম ঝোলানোকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক ছড়াল। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের আপত্তির জেরে শেষ পর্যন্ত সাসপেন্ড করা হল মুসলিম সহকারী শিক্ষক মহম্মদ নাজিম ও স্কুলের প্রধানশিক্ষিকা পুষ্পা জাটবকে।
নাগলা পুরভা গ্রামের ওই স্কুলে শ্রেণিকক্ষের গেটের উপরে আয়াতটি টাঙানো ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। খবর পেয়ে বজরং দল ও বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কর্মীরা স্কুলে পৌঁছে বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের দাবি, সরকারি স্কুলে কোনও ধর্মীয় চিহ্ন রাখা যায় না। পাশাপাশি, শিক্ষক নাজিমের বিরুদ্ধে ইসলামি শিক্ষা দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়, যা শিক্ষক ও স্থানীয় বাসিন্দারা খারিজ করেছেন।
ঘটনার ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তাতে দেখা যায়, বিক্ষোভকারীরা শ্রেণিকক্ষ ঘুরে ঘুরে বোর্ড, বই পরীক্ষা করছেন। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে আয়াতের ফ্রেমটি নামানো হয়। বিষয়টি সামনে আসতেই বেসিক শিক্ষা আধিকারিক আলকা শর্মা তদন্তের নির্দেশ দিয়ে দু’জনকেই সাময়িক বরখাস্ত করেন।
তবে স্থানীয়দের একাংশের প্রশ্ন, তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই এই তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত কেন। তাঁদের অভিযোগ, শিক্ষকের ধর্মীয় পরিচয়ের কারণেই তাঁকে নিশানা করা হয়েছে। তদন্ত চলছে, কিন্তু এই ঘটনার পর প্রশাসনের ভূমিকা ও স্কুলে সাম্প্রদায়িক চাপ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।


