কর্ণাটকের শ্রীরঙ্গপট্টনার একটি মন্দিরে দর্শন ঘিরে তুমুল উত্তেজনা। অভিযোগ, তুমাকুরু রুরাল কেন্দ্রের বিধায়ক বি. সুরেশ গৌড়ার মেয়ে ঐশ্বর্যা সাধারণ ভক্তদের লাইন এড়িয়ে মন্দিরের গর্ভগৃহে যেতে চেয়েছিলেন। তাঁকে বাধা দেন কর্তব্যরত মহিলা পুলিশ আধিকারিক সাভিথা বি. পাটিল। এরপরই দু’জনের মধ্যে তর্ক শুরু হয়।
ঘটনাটি ঘটে গত ১২ আগস্ট রাত ৮টা নাগাদ। সেদিন ছিল ভীমা অমাবস্যা। মন্দিরে ভিড় থাকায় নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন পুলিশকর্মীরা। সেই সময় গর্ভগৃহে প্রবেশ নিয়ে ঐশ্বর্যার সঙ্গে পুলিশের কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ঐশ্বর্যা এবং মহিলা পুলিশ আধিকারিকের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ কথা কাটাকাটি চলছে। একসময় ফোনেও কথা বলেন ঐশ্বর্যা। এরপর তাঁকে ওই পুলিশকর্মীকে চড় মারতে দেখা যায়। পাল্টা পুলিশ আধিকারিকও তাঁকে চড় মারেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে থাকা কয়েকজন এগিয়ে আসেন।
পরে সাভিথা বি. পাটিল থানায় অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, ঐশ্বর্যা তাঁকে অপমান করেন, চড় মারেন এবং সরকারি কাজে বাধা দেন। অন্যদিকে, পুলিশও তাঁর অভিযোগ নেয়নি বলে পাল্টা দাবি ওঠে।
ঘটনা নিয়ে বিধায়ক সুরেশ গৌড়া দুঃখপ্রকাশ করেছেন। তবে তাঁর দাবি, তাঁর মেয়েকে আগে অপমান করেছিলেন ওই পুলিশ আধিকারিক। তিনি নিজে মেয়েকে চড় মারতে দেখেননি বলেও জানান। ঘটনার ভিডিও সামনে আসার পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।


