গুজরাতের জুনাগড়ে ঘটেছে এক ভয়াবহ ঘটনা। মাত্র ১৫ বছরের এক কিশোর নিজের বড় ভাইকে লোহার পাইপ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে এবং তারপর ছয় মাসের গর্ভবতী স্ত্রীকেও খুন করে বলে অভিযোগ। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ভাইয়ের উপর ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকেই এই হত্যাকাণ্ড। পুলিশের দাবি, খুনের পর বৌদিকে ধর্ষণ করা হয়, তারপর দুই দেহ ঘরের পেছনে পুঁতে রাখা হয়। মৃতদেহ লুকোতে অভিযুক্ত কিশোরের মা-ও তাকে সহায়তা করেছেন বলে জানা গেছে। মহিলার পরিবারের সন্দেহ থেকেই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। দেহ উদ্ধার করে পুলিশ, দেখা যায়, মাথায় গুরুতর আঘাত লক্ষ্য করা যায়। অভিযুক্ত কিশোর নিজের অপরাধ ঠাণ্ডা মাথায় স্বীকার করেছে। একটি নাবালকের এইরকম নৃশংস-পৈষাচিক হত্যাকাণ্ডে এলাকায় নেমেছে তীব্র শোক ও আতঙ্ক।


