
গাজায় ইসরায়েলের হামলায় ৪০০ বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয় তাদের মধ্যে অধিকাংশই মহিলা এবং শিশু। গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ৪৩৬ যার মধ্যে শিশুর সংখ্যা রয়েছে ১৮৩।গাজার নবজাতক শিশুদের ওপর ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলার প্রভাব অত্যন্ত অপ্রীতিকর। যুদ্ধের মধ্যে গাজার অনেক শিশু গুরুতরভাবে আহত এবং নিহত হচ্ছে। বিশেষত, নবজাতক শিশুরা সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়ছে। গত কয়েক সপ্তাহে, গাজায় বিমান হামলা এবং ভূমি হামলায় শত শত বেসামরিক নাগরিক মারা গেছে, যার মধ্যে ছোট শিশুরাও রয়েছে। এদিকে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেছেন যে, পশ্চিম তীরেও “বড় এবং শক্তিশালী” যুদ্ধ শুরু হতে পারে এবং গাজা অঞ্চলে হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ আরও তীব্র হবে।

স্থানীয় হাসপাতালগুলিতে ভর্তি হওয়া নবজাতক শিশুরা প্রচুর আঘাত পেয়েছে। অনেক শিশুর শরীরে বড় ধরনের ক্ষত রয়েছে, এবং তাদের চিকিৎসা করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। কিছু শিশুর মৃত্যু হয়েছে, কারণ তারা আহত হওয়ার পর চিকিৎসা সেবা পেতে পারেনি। তাছাড়া, হাসপাতালগুলির অভাব এবং সুষ্ঠ চিকিৎসা ব্যবস্থা না থাকায় শিশুরা আরো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয় এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলো বারবার আন্তর্জাতিক মহলকে গাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে সতর্ক করছে। তারা বলছে, নবজাতক শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই শিশুরা কোনো ধরনের লড়াইয়ের অংশ নয়, তাদের জীবন বাঁচানো আমাদের সবার দায়িত্ব।