বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় তা নিয়ন্ত্রণে আনতে নতুন পদক্ষেপ নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশের ভেতরে দ্রব্যমূল্য বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি সামাল দিতে ও সাধারণ মানুষের চাপ কমাতে তারা কিছুটা নরম অবস্থান নিতে বাধ্য হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ইরানের ওপর আগে থেকে জারি থাকা কড়া নিষেধাজ্ঞার একটি অংশ সাময়িকভাবে শিথিল করার চিন্তাভাবনা চলছে।
মার্কিন অর্থ দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সমুদ্রে আটকে থাকা প্রায় ১৪০ মিলিয়ন ব্যারেল ইরানি তেল বাজারে আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ায় তেল সরবরাহে বড় ধাক্কা লেগেছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ জলপথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় বিশ্বজুড়ে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে গেছে।
এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে আমেরিকার বাজারেও। গত কয়েক সপ্তাহে সেখানে জ্বালানির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ আর্থিক চাপে পড়ছেন। এই অবস্থায় দ্রুত সরবরাহ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র তাদের মিত্র দেশগুলোর সাহায্য চাইছে। এদিকে সংকট মোকাবিলায় পুরনো একটি আইন অস্থায়ীভাবে স্থগিত করা হয়েছে, যাতে জ্বালানি পরিবহণ সহজ হয়। তবে ইরানের ওপর সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হচ্ছে না, শুধু সমুদ্রে আটকে থাকা তেলের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত। ইরানকে পুরোপুরি চাপে রাখার চেষ্টা উল্টো ফল দিচ্ছিল বলেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে।


