উত্তরাখন্ডে বেআইনি স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে সংঘাতে নিহত মানুষের সংখ্যা বেড়ে ছয়জন হয়েছে।
হলদোয়ানির স্থানীয় প্রশাসনের দাবি করেছে নিহতরা সবাই দাঙ্গাবাজ। এদিকে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ায় শনিবার কারফিউ শিথিল করা হলেও ইন্টারনেট পরিষেবা এখনো বন্ধ রয়েছে।
কুমায়ুনের কমিশনারকে ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার।
উত্তরাখন্ডে মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে বলেছেন, কারা সংঘর্ষে জড়িত ছিল, তা নিশ্চিত করতে এলাকার সব সিসিটিভি ক্যামেরা ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রত্যেকের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, হলদোয়ানি শহরের বনভুলপুরা একটি মুসলমান অধ্যুষিত। বৃহস্পতিবার স্থানীয় প্রশাসনের কর্তারা পুলিশ ও বুলডোজার নিয়ে একটি মাদ্রাসা ও মসজিদ ভাঙতে গেলে জনগণ প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
ওই দুই স্থাপনা অবৈধ বলেই সেগুলো ভাঙা হচ্ছিল বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। বৃহস্পতিবার ও গতকাল শুক্রবার দফায় দফায় সংঘর্ষে মোট ছয়জন নিহত হন। আহত শতাধিক। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন পুলিশ সদস্যও।
সংঘর্ষে যুক্ত১৯ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এই গোলমালের জন্য প্রশাসনকে দায়ী করে সমাজবাদী পার্টির বিধায়ক শিবপাল সিং যাদব বলেছেন, গোটা দেশেই বিজেপি সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ করছে। পান থেকে চুন খসতে না খসতেই বুলডোজার ব্যহার করা হচ্ছে। ক্ষুব্ধ মানুষ এভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন।


