পশ্চিমবঙ্গের মাদ্রাসা শিক্ষকরা ফের তাদের পুরনো পদে যোগ দিতে পারবেন। মাদ্রাসা থেকে যারা এসএসসি পরীক্ষার মাধ্যমে নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিতে শিক্ষকতা করতেন, তাদের মধ্যে ১৯৭ জনের নাম সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফরে পাঠানো হয়েছে। মাদ্রাসা শিক্ষা দফরের সূত্রে জানা গেছে, মোট ২০০-এর বেশি শিক্ষক আবেদন করেছিলেন। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মেনে তাদের পুর্নবহালের প্রক্রিয়া শুরু হবে। শিক্ষকরা শুধুমাত্র মূল শিক্ষক হিসাবেই নয়, পার্শ্ব শিক্ষক হিসাবেও মাদ্রাসায় কাজ করতে পারবেন। তবে প্রাথমিকভাবে বোর্ড যে ২৬৪ জনের তালিকা পাঠিয়েছিল, তাতে ৬৭ জনের তথ্যের মধ্যে অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। বোর্ডকে সেই তথ্য যাচাই করে পুনরায় পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্রায় দুই হাজার চাকরিহারা শিক্ষককে প্রাথমিক শিক্ষকের কাজে ফিরিয়ে দেওয়ার অনুমোদন দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের প্রায় ৫৫০ জন শিক্ষক-শিক্ষিকাকেও পুরনো পদে ফেরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শিক্ষকতা ছাড়াও বিদ্যুৎ দফর, স্বাস্থ্য বিভাগ এবং রাজ্য স্বরাষ্ট্র দফরের কর্মীরাও তাদের পুরনো পদে ফিরছেন। তবে শিক্ষক মহলের একাংশের দাবি, এই প্রক্রিয়ায় ভবিষ্যতে সমস্যা দেখা দিতে পারে। বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, “পুরনো পদে ফেরার নির্দেশিকা জারি হয়েছে। কিন্তু শিক্ষা দফতর এখনও নির্দিষ্ট নীতি তৈরি করতে পারেনি। অনেক ক্ষেত্রে শূন্যপদও নেই। তাই শিক্ষকরা যেসব পদে ফিরবেন, তার ভবিষ্যৎ নিশ্চয় নয়।”
মাদ্রাসা ও স্কুলের শিক্ষকরা ফিরছেন পুরোনো পদে! ২০০-এর বেশি শিক্ষকের পুনর্বহালের প্রক্রিয়া শুরু
Popular Categories


