নাতাঞ্জ, ইস্পাহান, ফোরদা মূলত ইরানের এই তিন পারমাণবিক কেন্দ্রে বিমান হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। হামলার পরবর্তীতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলা সফলভাবে সংগঠিত হয়েছে। ইরান ইসরাইল যুদ্ধে নাক গলিয়েও এখন পিছু হটতে চাইছে ডোনাল্ড ট্রাম্প, কিন্তু কারণ কি?
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আবহাওয়া ক্রমশ বেড়েই চলেছে। রাতের অন্ধকারে আমেরিকাকে কড়া জবাব দিল ইরান। কাতারে অবস্থিত আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের বিমান ঘাঁটি, আল-উদেইদকে লক্ষ্য করে গভীর রাতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ পড়েছে ইরান। ইরানের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইরানের তিন পারমাণবিক কেন্দ্রে মার্কিনহানার যোগ্য জবাব দিতে এই হামলা চালানো হয়।
ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “ইরানের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তার উপর হামলা করলে ইরান কখনোই চুপ থাকবে না। আল-উদেইদকে লক্ষ্য করে ইরানের এই হামলা কখনোই কাতার বা কাতারের জনগণের উপর নয়। কাতারে আবাসিক এলাকাগুলি থেকে অনেক দূরে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে।”
যদিও কাতারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অত্যাধুনিক ডিফেন্স সিস্টেমের মাধ্যমে আকাশেই ইরানের নিক্ষেপে করা ক্ষেপণাস্ত্র গুলি ধ্বংশ করা হয়েছে।
ইরান ইসরাইল যুদ্ধে হস্তক্ষেপ করেও বর্তমানে যুদ্ধ থেকে পিছ পা হোটতে চাইছে বিশ্বের তথাকথিত সর্ববৃহৎ শক্তি আমেরিকা। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে কি ভয় পেলো তথাকথিত বিশ্বের সর্বশক্তিশালী নেতা ডোনাল্ড ট্রাম্প? প্রশ্ন নানান মহলে।


