
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রণকৌশল, এবং কূটনৈতিক চালের কাছে অবশেষে নতজানু হলো ইসরাইল। অবশেষে ইরানের উপর সামরিক অভিযান না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরাইল। ইসরাইল সরকারের এই সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যে আমেরিকাকে জানানো হয়েছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।
তবে ইরান এখনো এর শেষ দেখতে মরিয়া। ৫০ হাজারের উপরে ইরানী হত্যার ক্ষত এখনো দগদগে ঘায়ের মত হয়ে রয়েছে খামেনি সহ সকল ইরানবাসীর কাছে। তাই এই প্রতিশোধের আগুন সহজে নিভবে না বলে মনে করছে, আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা। ইসরাইল যুদ্ধবিরতি চাইলেও, যুদ্ধ থেকে বিরত হতে পারবে কিনা তার নির্ভর করছে ইরানের উপর।
শুধু ইসরাইল নয় যুদ্ধে হস্তক্ষেপকারী আমেরিকাকেও, খামেনি কড়া জবাব দিয়েছে। কাতারে মার্কিন বিমান ঘাঁটি, আল-উদেইদে হামলার পর ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “ইরানের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তার উপর হামলা করলে ইরান কখনোই চুপ থাকবে না। আল-উদেইদকে লক্ষ্য করে ইরানের এই হামলা কখনোই কাতার বা কাতারের জনগণের উপর নয়। কাতারে আবাসিক এলাকাগুলি থেকে অনেক দূরে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে।”

