দক্ষিণ কলকাতার ল’ কলেজে ছাত্রী গণধর্ষণের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই বারাসাতে ফের এক নাবালিকা ছাত্রীর উপর হেনস্তার চেষ্টা রাজ্যজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। শনিবার দুপুরে বারাসাতের ১২ নম্বর রেলগেটের কাছে ঘৃণ্য ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টিউশন পড়ে ফেরার পথে এক যুবক ওই ছাত্রীর পথ আটকে দাঁড়ায় এবং তার গোপনাঙ্গে হাত দেওয়ার চেষ্টা করে। ভয়ে কেঁদে ওঠা মেয়েটির চিৎকারে কাছাকাছি দোকানদাররা ছুটে এসে অভিযুক্তকে ধরে ফেলে। পালানোর চেষ্টা করেও রক্ষা পায়নি যুবকটি; স্থানীয়রা তাকে ঘিরে গণধোলাই দেয়। পরে বারাসাত থানায় খবর গেলে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। বর্তমানে আটক করে অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
এই ঘটনা পশ্চিমবঙ্গে নারী সুরক্ষার জন্য রাজ্য সরকারের নীতি ও প্রশাসনের ভূমিকাকে ফের প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। একের পর এক নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটলেও সরকারের তরফে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না। বারাসাতের এই ঘটনায় স্থানীয়রা ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, এমন ঘটনা আগেও ঘটেছে, কিন্তু পুলিশ বা প্রশাসন কঠোর কিছু করেনি। সরকারের এই উদাসীনতা আর কতদিন চলবে? নারীদের রাস্তায় বেরোতে ভয় পাচ্ছে, আর প্রশাসন নীরব। এই ব্যর্থতা অপরাধীদের আরও উৎসাহ দিচ্ছে।
স্থানীয় মহিলারা বলছেন, নিরাপত্তার অভাবে তাঁদের জীবন বিপন্ন। সরকারের উচিত দ্রুত তদন্ত করে দোষীকে কঠোর শাস্তি দেওয়া এবং রাস্তাঘাটে পুলিশি টহল বাড়ানো। নারী সুরক্ষায় কঠোর আইন প্রয়োগ না হলে এমন ঘটনা থামবে না। রাজ্য সরকারের এই নিষ্ক্রিয়তা আর বরদাস্ত করা যায় না। সময় এসেছে জনগণের ক্ষোভের জবাব দেওয়ার।


