এ কেমন রাজনীতি? এর আগে বাংলা বহুবার ভোট পরবর্তী হিংসার ভয়াবহতা দেখেছে। দেখেছে, শাসকের প্রতিহিংসার রাজনীতির জেরে প্রাণ গিয়েছে বহু সাধারন মানুষের। তবে এবার ২৬ এ বিধানসভা নির্বাচনের আগে ঝরছে রক্ত। তিন দিনে পরপর তিনজন তৃণমূল নেতাকর্মীর খুনের ঘটনা সামনে উঠেছে। না! এ কাজ কোন বিরোধী দলের নয়। তৃণমূল সরকারের নেতাকর্মীদের সাফ করতে উঠে পড়ে লেগেছে তৃণমূলেরই একাংশ। যাকে এক কথায় বলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। এমন বিশৃঙ্খল-অগণতান্ত্রিক, অরাজকতা সম্পন্ন পরিবেশে বাংলায় বসবাসকারী সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। তৃণমূল কংগ্রেস যদি নিজেদের দলের নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয় তাহলে, বাংলার সাধারন মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করবে কে?
ভাঙ্গরের তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি রেজ্জাক খাঁ-কে তৃণমূলেরই আর এক নেতা, মোফাজ্জল মোল্লার হাতে খুন হতে হয়। অভিযোগ উঠছে দলীয় বৈঠক থেকে ফেরার সময় মাঝ রাস্তায় খুন হতে হয় তৃণমূল নেতা রেজ্জাক খাঁ-কে। খুনের ঘটনায় যুক্ত আরও তিনজনকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজারউদ্দিন মোল্লা, রাজু মোল্লা, জাহান আলি খানকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। খুনের মাস্টারমাইন্ড মোফাজ্জল মোল্লাকে ৮ দিনের পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
দলের আরেক নেতা শওকাত মোল্লা রেজ্জাক খাঁ খুনের ঘটনার সঙ্গে আইএসএফ দুষ্কৃতীরা জড়িত রয়েছে, এমনটাই দাবি করেছেন দলের আরেক নেতা শওকাত মোল্লা। আজারুদ্দিন মোল্লা আই এস এফ ছেড়ে টিএমসি তে যোগ দিয়েছিল। দলের গোষ্ঠীদ দ্বন্দ্বের জেরে ক্রমশ ফাঁকা হচ্ছে তৃণমূল।


