উত্তরপ্রদেশের সিদ্ধার্থনগরে আলফারুক ইন্টার কলেজের ম্যানেজার মৌলানা শব্বির আহমদকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভীম আর্মির প্রধান ও সাংসদ চন্দ্রশেখর আজাদ। তিনি এই গ্রেপ্তারিকে প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা ও সামাজিক সম্প্রীতির ওপর আঘাত বলে জানিয়েছেন।
আজাদের দাবি, চার বছর পুরনো একটি ব্যক্তিগত বিরোধকে সামনে এনে এই গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ২০২০ সালে কলেজে চাকরির আবেদন করেছিলেন একজন ব্যক্তি, যিনি চাকরি না পাওয়ার পরে ২০২৫ সালে এসে হঠাৎ অভিযোগ করেন যে তাকে জোর করে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই মৌলানা শাব্বির আহমেদের বিরুদ্ধে ধর্মান্তরণ বিরোধী আইন প্রয়োগ করে গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু আলফারুক ইন্টার কলেজের এক শিক্ষক , রাকেশ চন্দ্র শ্রীবাস্তব জানিয়েছেন, “আমি ১৯৯৭ সাল থেকে এখানে পড়াচ্ছি। মৌলানা সাহেব সবসময় আমাদের পাশে ছিলেন। এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।”
অন্যদিকে চন্দ্রশেখর আজাদ প্রশ্ন তুলেছেন যে যদি এই ঘটনা সত্যি হয়, তবে গত চার বছরে কোনো অভিযোগ কেন দায়ের হয়নি? তিনি বলেন, “এই গ্রেপ্তার কি শুধুই ধর্মীয় ইস্যু, না কি একটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক প্রতিহিংসা?”

