সেখপাড়া বাবুলতলী খলিলুর রহমান বিদ্যানিকেতনের শিক্ষকের স্বেচ্ছামৃত্যু ঘিরে ছড়িয়েছে তীব্র চঞ্চল। গত মঙ্গলবার সকাল আটটা নাগাদ, স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক মহাশয়ের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয় তার নিজের বাড়ি থেকে। শিক্ষকের স্বেচ্ছায় মৃত্যুর কারণ এখনো পর্যন্ত জানা না গেলেও, প্রতিবেশীরা এই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলছে। প্রতিবেশীদের বক্তব্য অনুযায়ী স্পষ্ট বহুদিন ধরেই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন তিনি।
মাদ্রাসার নবনিযুক্ত পরিচালক সমিতি সহ বেশ কিছু তৃণমূল নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে মানসিকভাবে নিপীড়িত করছিল সেখপাড়া বাবুলতলী খলিলুর রহমান বিদ্যানিকেতনের সহকারী প্রধান শিক্ষক মহাশয়কে। প্রতিবেশীদের দাবি, মাদ্রাসার তহবিল থেকে প্রতিমাসে বেআইনিভাবে টাকা তোলার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল সহকারী প্রধান শিক্ষককে। শুধু তাই নয়, মাদ্রাসার অডিট করানো সত্বেও মিড ডে মিল ও অন্যান্য হিসাব খাতে আর্থিক কারচুপির জন্য মিথ্যে মামলায় ফাঁসানো হচ্ছিল মাদ্রাসার সহকারী প্রধান শিক্ষককে।
চূড়ান্ত মানসিক অবসাদ থাকা সত্ত্বেও কাজের প্রতি তিনি অত্যন্ত দায়বদ্ধ এবং একনিষ্ঠ ছিলেন।
মাদ্রাসার অন্যান্য শিক্ষকরা জানিয়েছেন, মৃত্যুর আগের দিন পর্যন্ত তার আচার-আচরণ ছিল অত্যন্ত স্বাভাবিক। মৃত্যুর আগের দিন দুপুরে তিনি একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণির সেমিস্টার পরীক্ষার ব্যবস্থাদি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে পাশের স্কুলের প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা বলেছেন। শোনা যাচ্ছে ঘটনার আগে আগে একটা ফোন আসে তিনি নিজের ঘরে যান। কথা বলার পরই তিনি আত্মহননের পথ বেছে নেন।


