গত ২৭ জুলাই, পঞ্চায়েত সমিতির এক তফসিলি উপজাতিভুক্ত কর্মাধ্যক্ষকে অপমান করার অভিযোগে সাগরদিঘি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মসিউরের বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর দায়ের হয়। অভিযোগ ওঠার পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বহরমপুর আদালত তাকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। জানা গিয়েছে ,বুধবার কলকাতা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার তাকে বহরমপুর আদালতে পেশ করা হলে আদালত জানায়, এই মামলাটি তফসিলি জাতি ও উপজাতি সংক্রান্ত হওয়ায় অভিযোগকারীর সামনে জামিন শুনানি হবে এবং আগামী ১৮ তারিখ মামলার পরবর্তী শুনানি।
ঘটনার পর থেকেই বিতর্ক শুরু হয় তৃণমূলের অন্দরে। দলের পক্ষ থেকে মসিউরকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। জঙ্গিপুরের তৃণমূল সাংসদ খলিলুর রহমান তার কাছে পদত্যাগপত্র চেয়ে চিঠিও পাঠান। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও পদ ছাড়েননি মসিউর এবং তা নিয়েই প্রশ্ন উঠতে থাকে। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে মনে করা হচ্ছে, এই ঘটনা পঞ্চায়েত স্তরে দলীয় গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল হতে পারে।


