আসন্ন ২৬এর বিধানসভা নির্বাচনে ইতিমধ্যে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। ২৬ শে প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল বাংলার মসনদে বসতে মরিয়া। উপর দিকে ২০১৯ এর বিধানসভা নির্বাচন থেকে এখনপর্যন্ত শূন্যে রয়েছে সিপিআইএম। সিপিআইএম এর কর্মসূচি গুলিতে কর্মী সমর্থকদের ভিড় চোখে পড়লেও তা ভোট বাক্সে একদমই চোখে পড়ছে না।
বছর শেষ হতে মাত্র কয়েক মাস বাকি। দোরগোড়ায় এসে কড়া নাড়ছে ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন। যখন বাংলার প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলগুলি নির্বাচনের আগে রণকৌশল প্রস্তুতে জোর দিচ্ছে, ঠিক তখনই হেমতাবাদকে পাখির চোখ করতে চাইছে শূন্য হয়ে যাওয়া সিপিআইএম। হেমতাবাদে উদ্বোধন করা হলো সিপিআইএমের নতুন পার্টি অফিস। পার্টি অফিস উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজন করা হয় একটি সভা মঞ্চের। সভামঞ্চে উপস্থিত ছিলেন সমাজের নানান প্রান্তের বিশিষ্টজনেরা। মঞ্চ থেকে সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম মূল বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন আসন্ন বিধানসভায় হামতাবাদকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাইছে সিপিআইএ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের দাবি, উত্তর দিনাজপুরে সিপিআইএম এর মোট ৮৭ টি গ্রাম পঞ্চায়েত রয়েছে। ১৯ এর লোকসভা, ২১ এর বিধানসভা, এবং ২৪ এর লোকসভা নির্বাচনগুলিতে সিপিআইএম পরপর শূন্য হওয়া সত্বেও উত্তর দিনাজপুরে ৮৭ টি গ্রাম পঞ্চায়েত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ২৬ এর নির্বাচনে ‘ শূন্য হয়ে যাওয়া দল’ এর অপবাদ কি মুছতে পারবে সিপিআইএম?


