সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন নতুন একটি অনলাইন নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু করেছে বলে জানা যাচ্ছে। লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধি কর্নাটকের আলন্দ ও মহারাষ্ট্রের রাজুরা কেন্দ্রে ভোটার তালিকা থেকে অনিয়মের কথা তুলে ধরার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এখন থেকে নতুন ভোটার নিবন্ধনের ফর্ম-৬ এবং নাম মুছে ফেলার বা আপত্তি জানাতে ব্যবহার হওয়া ফর্ম-৭ ইলেকট্রনিকভাবে শুধুমাত্র ‘ই-সাইন’ ব্যবহারে গ্রহণযোগ্য হবে। আবেদন করতে গেলে আবেদনের সঙ্গে থাকা মোবাইল নম্বর অবশ্যই আধার কার্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকতে হবে বলে কমিশন জানিয়েছে।
নতুন প্রক্রিয়ায় আবেদনকারীরা প্রথমে কমিশনের পোর্টালে ফর্ম পূরণ করবেন। তারপর তারা ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের সি-ভ্যাক পোর্টালে রিডাইরেক্ট হবেন। সেখানে আধার নম্বর দিয়ে ওটিপি পেতে হবে, যা আধারের সঙ্গে যোগ করা মোবাইল নম্বরে পাঠানো হবে। অফিসিয়াল নির্দেশে বলা হয়েছে, ভোটার কার্ডে থাকা নাম ও আধার কার্ডের নাম এক হওয়া বাধ্যতামূলক।
উল্লেখ্য, রাহুল গান্ধি ১৮ সেপ্টেম্বর এক সাংবাদিক সম্মেলনে আলন্দ ও রাজুরার ঘটনাগুলো নিয়ে অভিযোগ তুলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন যে মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে বড় পরিসরে নির্বাচন তছনছ করা হয়েছে এবং কয়েক হাজার ভোটার তালিকা থেকে ভুলভাবে নাম মুছে ফেলা হয়েছে। কমিশন তার অভিযোগের পর তা ‘ভুল ও ভিত্তিহীন’ বলে মন্তব্য করলেও দু’টি স্থানে বেঠিকতা রয়েছে বলে এফআইআর করার কথাও স্বীকার করেছে।


