গাজায় যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় চুক্তি নিয়ে ইসরাইল ও হামাসের পরোক্ষ আলোচনা মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) মিশরের শার্ম আল-শেখে আবারও শুরু হয়েছে। আলোচনার মূল লক্ষ্য ছিল গাজা থেকে ইসরাইলি সেনাদের সম্পূর্ণ প্রত্যাহার এবং মানবিক সহায়তা নির্বিঘ্নে প্রবেশের জন্য কার্যকর একটি প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা। মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাদর আবদেলাত্তি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “আমরা আশাবাদী যে এই আলোচনা গাজার যুদ্ধ ও দুর্ভিক্ষের অবসান ঘটাবে। ইতিমধ্যে কিছু অগ্রগতি হয়েছে।” তিনি আরও জানান, রাষ্ট্রসংঘের তত্ত্বাবধানে গাজায় নিঃশর্ত মানবিক সাহায্য পৌঁছানোর এবং ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে কাঠামো তৈরির আলোচনা চলছে।
আবদেলাত্তি বলেন, এই উদ্যোগ দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের পথকে সুদৃঢ় করবে, যাতে পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকার ঐক্য পুনঃপ্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়।
গাজার মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি জানান, সোমবার চার ঘণ্টা ধরে হামাস ও ইসরাইলি প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা হয়। সেখানে যুদ্ধবিরতির পথে থাকা বাধাগুলি দূর করার বিষয়ে কথা হয়েছে। ট্রাম্পের ২০ দফা প্রস্তাবে যুদ্ধবিরতি, হামাসের নিরস্ত্রীকরণ, বন্দি বিনিময় এবং গাজা পুনর্গঠন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। জানা গিয়েছে,ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র উভয় দেশেই আশা করা হচ্ছে, রবিবারের মধ্যেই একটি প্রাথমিক সমঝোতা হতে পারে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরাইলি অভিযানে গাজায় ৬৭ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।


