মহারাষ্ট্রে রত্নগিরির ওয়ারকারি গুরুকূলের প্রধান কোকরে মহারাজ এবং শিক্ষক প্রীতেশ প্রভাকর কদমের বিরুদ্ধে নাবালিকা ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের ভয়াবহ অভিযোগ উঠছে। ধর্ম ও আধ্যাত্মিক শিক্ষা নিতে আসা ছাত্র-ছাত্রীদেরই এমন নক্কার জনক ঘটনার শিকার হতে হচ্ছে বলে, চারিপাশে সামাজিক অবক্ষয় স্পষ্ট লক্ষণীয়।
নির্যাতিত নাবালিকার বয়ান, প্রথম কয়েকদিন সব ঠিকঠাক থাকলেও পরে শুরু হয় অত্যাচার। তিনি অভিযোগ করেন, “যখনই আমি ঘরে একা থাকতাম, গুরুকুলের প্রধান কোকরে মহারাজ আমার ঘরে ঢুকে আমাকে লাথি-ঘুষি মারতেন, আমার বুক স্পর্শ করতেন।” এইভাবেই ধীরে ধীরে তার উপর চলতে থাকে যৌন নির্যাতন। এখানেই শেষ নয়, ভয় দেখিয়েছেন অপর শিক্ষক প্রীতেশ প্রভাকর কদম। নাবালিকা জানান, “তিনি আমাকে হুমকি দিয়ে বলতেন, নির্যাতনের কথা কাউকে বললে আমার এবং আমার ভাইকে হত্যার অভিযোগ আমার বাবার উপর চাপানো হবে। আমাকে আর পড়াশোনাও করতে দেওয়া হবে না।”
এই ঘটনা প্রকাশ পাওয়ার পর স্থানীয় মানুষ থেকে শুরু করে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোও কঠোর প্রতিবাদ জানিয়েছে। সকলেই দাবি করছেন অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির। ইতিমধ্যে দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ধর্মের নামে মানুষের অন্তর শুদ্ধির কথা বলা হয় যে স্থানে, সেখানেই এমন জঘন্য কাজ সমাজকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।


