রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর পাওয়া ‘রক্ষাকবচ’ তুলে নিল বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর সিঙ্গল বেঞ্চ। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা ২০২২ সালে এই রক্ষাকবচ দিয়েছিলেন, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কোনও নতুন এফআইআর দায়েরের আগে আদালতের অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। কিন্তু শুক্রবারের নির্দেশে শুভেন্দু অধিকারীর এই সুযোগসুবিধা আর থাকছে না। ফলে শুভেন্দুর রাজনৈতিক ও আইনি অস্বস্তি যে বাড়ল, তা বলাই যায়। ২০২২ সালে শুভেন্দুর আইনজীবীরা আদালতে যুক্তি দিয়েছিলেন, প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিরোধী দলনেতাকে একাধিক মামলায় জড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। আদালত তাঁদের যুক্তি মেনে শুভেন্দুকে বিশেষ সুরক্ষা দিয়েছিল। ২০২২ সালে শুভেন্দু অধিকারীর রক্ষাকবচের বিরোধিতা করেছিল অন্যান রাজনৈতিক দলগুলি এবং পরে বিষয়টি পৌঁছে যায় দেশের শীর্ষ আদালতেও।
শীর্ষ আদালতে মান্থার নির্দেশ বহাল থাকে। আদালতে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে চলা ২০টি মামলার মধ্যে ১৫টি খারিজ হয়ে গেলেও বাকি চারটি, যার মধ্যে মানিকতলা মামলাও আছে তাতে সিবিআই ও রাজ্য পুলিশের যুগ্ম তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। অনুমান করা হচ্ছে বাকি মামলাগুলিতে সিবিআই ও রাজ্য পুলিশ যৌথভাবে তদন্ত করবে। রাজনৈতিক মহলে এই সিদ্ধান্তের তাৎপর্য নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এই রক্ষাকবচ প্রত্যাহার শুভেন্দুর জন্য বড় ধাক্কা। শাসকদল এখন পুরনো মামলাগুলি নতুন করে খতিয়ে দেখতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষক মহল। ফলে রাজ্যের রাজনীতিতে আবারও এক নতুন উত্তাপ তৈরি হয়েছে।


