এলাহাবাদ হাইকোর্ট বিজেপি যুব নেতা বিক্রম রায়কে জামিন দিয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি বাংলাদেশি নাগরিকদের অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশে সাহায্য করেছেন এবং তাদের নকল কাগজপত্র তৈরি করে দিয়েছেন। ২০২৩ সালে উত্তরপ্রদেশের এটিএস এই মামলা দায়ের করে। এর আগে এই মামলার আরও কয়েকজন অভিযুক্ত জামিন পেয়েছিলেন, সেই যুক্তিতেই বিক্রম রায়কেও জামিন দেওয়া হয়। কংগ্রেস এই জামিনের তীব্র বিরোধিতা করেছে। কংগ্রেস নেতারা অভিযোগ তুলেছেন, বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে বড় বড় কথা বললেও, নিজেদের দলের নেতারাই এতে জড়িত।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সম্প্রতি বিহারের এক নির্বাচনী সভায় বলেছিলেন, “চুন চুন কে ঘুসপেটিয়োকে পাকড়না হ্যায়।” কিন্তু ঠিক এই সময়েই বিজেপি যুবনেতার জামিন মঞ্জুর হওয়ায় অস্বস্তি তৈরি হয়েছে বিজেপির আন্দরমহলে। বিক্রম রায়ের মামলাটি আগে এনআইএ বিশেষ আদালতের হাতে ছিল। সেখানে জামিনের আবেদন খারিজ হওয়ার পর বিজেপি পক্ষ হাইকোর্টে যায়। অভিযোগ অনুযায়ী, বিশাল টাকার বিনিময়ে বাংলাদেশিদের ভারতে প্রবেশ করানো হচ্ছিল। যদিও এনআইএ-র চার্জশিটে স্পষ্ট কোনও অপরাধের উল্লেখ ছিল না। বিরোধীরা প্রশ্ন তুলছে, বিএসএফের কঠোর পাহারা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এত মানুষ সীমান্ত পেরিয়ে ঢুকছে। বিরোধীদের দাবি বলছে, বিজেপি নেতাদের মদদ ছাড়া এটা সম্ভব নয়। কংগ্রেসের দাবি, সীমান্তে গাফিলতির দায় স্বীকার করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।


