ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের (এসএনএসসি) সচিব আলী লারিজানি জানালেন ইসরায়েলের লাগাতার আগ্রাসন ও হামলার জবাব দিতে এখন সরাসরি মুখোমুখি হওয়া ছাড়া আর কোনো পথ খোলা নেই। গত রবিবার লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় হিজবুল্লাহর জ্যেষ্ঠ কমান্ডার হাইথাম আলী তাবাতাবাই নিহত হওয়ার পর তিনি এই মন্তব্য করেন।
লারিজানি জানান, এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতের পর গত নভেম্বর মাসে হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। কিন্তু যুদ্ধবিরতির পরও ইসরায়েল নিয়মিতভাবেই লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় বোমা বর্ষণ করছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলিতে এই হামলা আরও বেড়েছে, যা পরিস্থিতিকে আবারো উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলেছে।
তিনি বলেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নিজের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে চান। এই অবস্থায় অঞ্চলটির দেশগুলিকে বুঝতে হবে যে ভুয়া শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে দাঁড়ানোই একমাত্র পথ। লারিজানি আরও বলেন, হজরত ফাতেমা (সা.)-এর শাহাদাতবার্ষিকীর আগের দিন একটি হামলায় তাবাতাবাইসহ হিজবুল্লাহর কয়েকজন যোদ্ধা নিহত হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক।
হিজবুল্লাহর মহাসচিব শেখ নাইম কাসেম এবং সংগঠনের অন্য কমান্ডারদের প্রতি তিনি সমবেদনা জানান। লারিজানি আশা প্রকাশ করেন, তাবাতাবাইয়ের মৃত্যু হিজবুল্লাহর প্রতিরোধ আন্দোলনকে আরও দৃঢ় করবে এবং লেবানন-ইরান জোট আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আরও ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়াবে। এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ইসরায়েলের অব্যাহত হামলায় লেবাননের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বাড়ছে। বিশ্লেষকদের মতে, দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।


